Posts

সাহাবাদের আফযালিয়াত(শ্রেষ্টত্ব) নির্ধারণ কি খিলাফতের ক্রম দিয়ে হবে? না নবীর কথায়?

 ✍️শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ। বিষয়: সাহাবাদের আফযালিয়াত(শ্রেষ্টত্ব)  নির্ধারণ কি খিলাফতের ক্রম দিয়ে হবে? না নবীর কথায়? অনেক দিন ধরে একটি বিষয় নিয়ে ভাবছি। আমরা সবাই জানি, সাহাবারা ইসলামের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন। তাদের সম্মান আমাদের অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু কিছু প্রশ্ন আমাকে নাড়া দেয়। সাহাবাদের আফযালিয়াত (মর্যাদার শ্রেষ্ঠত্ব) আমরা কী দিয়ে নির্ধারণ করবো?  নবীর স্পষ্ট ঘোষণা ও কর্ম দিয়ে? নাকি রাজনৈতিক ইতিহাস ও খিলাফতের ক্রম দিয়ে? “যদি খিলাফতের ক্রমই মাপকাঠি হয়, তবে নবীর ঘোষণা কেন?” “সত্যিকারের মানদণ্ড কি সাহাবাদের ইজমা, নাকি রাসূলের বাণী?” “আমরা কি ইতিহাসকে কুরআন-হাদিসের উপরে বসাচ্ছি?” “হযরত আলিকে কি আমরা তার প্রাপ্য মর্যাদা দিচ্ছি?” “রাজনীতির জন্য কি নবীর ঘোষণা ভুলে গেছি?” এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমরা ধাপে ধাপে দেখব।দেখব ইতিহাসের এমন এক অজানা অধ্যায় যা আমাদের জানানো হয় না।=> ✅ ১. ইসলামি নীতি: কুরআন ও সুন্নাহর চূড়ান্ত কর্তৃত্ব কুরআন বলছে: > “তোমরা কোনো বিষয়ে মতভেদ করলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে ফিরিয়ে নাও।” (সূরা নিসা ৪:৫৯) 📌 অর্থাৎ চূড়ান্ত মানদণ্ড হবে নবীর ঘোষণা...

শিয়ারা সাহাবী বিদ্বেষী।সাহাবীদের সমালোচনা করে।এই অভিযোগের উত্তর।

 বিষয়: শিয়ারা সাহাবী বিদ্বেষী।সাহাবীদের সমালোচনা করে।এই অভিযোগের উত্তর। লেখক: শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ। মানুষ পড়াশোনা না করেই বলে বেড়াবে যে  ইরান যেহুতু শিয়া তারা সাহাবী বিদ্বেষী  তাই যাই হোক তাকে খারাপ বলতেই হবে। তারা গাদিরে খুম,বনু সাকিফা,সিফফিন,কারবালা.... এসব নিয়ে আলোচনাও করবে না। রসুল(সা:) গাদিরে খুমে( সহিহ মুসলিম আন্তর্জাতিক ৬২২৫-৬২২৮)  কোরআন ও আহলুল বাইত রেখে যাচ্ছি বলে ঘোষণা দিয়েছেন।তাহলে তাদের আদর্শ নিয়েই তো জীবন পরিচালনা করতে হবে।তাই না! অথচ দু:খের ব্যাপার হলো আমাদের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত(সুন্নি মানহাজ) এর সীমাবদ্ধতা হলো  আহলে বাইত হতে বর্ণিত হাদিস খুব ই কম!থাকবেই বা কিভাবে! কেননা কিতাবাদি লেখা হতো শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায়।আহলে বাইতের থেকে হাদিস গ্রহণ/শিক্ষা অর্জন তো দূরের কথা! তখনকার উমাইয়া আব্বাসি জালেম শাসকরা তো এটাই চাইত না যে আহলে বাইতের ফাযায়েল বর্ণিত হোক।এজন্য আহলে সুন্নাতের অনেক মুহাদ্দিস ও ফিকহের আলেমদেরকে জুলুম করা,কারাগারে নিক্ষেপ  সহ নানা ট্যাগ দেয়া এগুলো চলত। তারা খুব ভালো করেই জানে যে সমাজে জ্ঞানী কারা।আর তাই শাসকেরা চাইত না যে জনগণ বুদ্ধি...

আমি কেন ইরানের সমর্থক?

 পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। লেখক: Shohedul Islam Sajjad  ইরানের চারপাশের প্রত্যেক  মুসলিম দেশেই আমেরিকার ঘাটি বিদ্যমান।ইরান ইসরাইলে হামলা শুরু করলে সবাই একযোগে ইরানে হামলা করবে। এজন্য ইরান বারবার সুন্নি মুসলিমদেশগুলারে অন্তত  নিরপেক্ষ থাকতে বলতেছে। কিন্তু ইরান যখন এর আগে ইসরাইলে হামলা করলো তখন জর্ডান ও সৌদি আরব নিজ দ্বায়িত্বে অনেকগুলা মিসাইল তাদের আকাশেই ধ্বংস করে দিলো। এখন বলেন ইরান একা কতজনের সাথে লড়বে? আরব দেশগুলো ইরানের সাথে যোগ না দিলেও যদি অন্তত নিরপেক্ষ থাকতো তাও ইরান এতোদিন ইসরাইলে হামলা করতো। মুনাফিকগুলোর জন্যে কিছুই করা সম্ভব হচ্ছে না।ইরান এখনো মুসলিম দেশগুলোরে ঐক্যের আহবান করতেছে। কিন্তু তারা তো আমেরিকা ও ই/জরাইলের পুতুল হয়ে বসে আছে। ইরান ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ইসরায়েলের দিকে প্রায় ৩০০টির মতো ড্রোন ও মিসাইল নিক্ষেপ করে। এই হামলার পর জর্ডান ও সৌদি আরব ইরানের মিসাইল তাদের নিজ আকাশে প্রতিহত করে। জর্ডান সরাসরি ইরানি ড্রোন ধ্বংস করে এবং সৌদি আরব ই/সরায়েলের সঙ্গে পরোক্ষভাবে সমন্বয় করে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করে। সূত্র: 1. Jordan neutrali...

বিষয়:-মিয়ারে হক বলতে কিছু নেই

 বিষয়:-মিয়ারে হক বলতে কিছু নেই ওয়াজি হুজুরদের কাছে(জামাত বাদে) সব সাহাবী যেহুতু মিয়ারে হক বা সত্যের মাপকাঠি।এজন্য জামাতের প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ'লা মওদুদিকে সবসময় খারাপ বলেন।মওদুদির উপর বিদ্বেষ পোষণ করে।এর কারণ হলো উনি সাহাবী মাত্রই সকলে সত্যের মাপকাঠি এটা মানেন না।কেন মানেন না এই ব্যাপারে একটা জিনিস দেখি। আমিরে মুয়াবিয়া তার ছেলে ইয়াজিদকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।ইসলামী খেলাফত ধ্বংশ করে রাজতন্ত্র তৈরী করে দিয়েছে। ঐটা মিয়ারে হক হুজুরদের কাছে। এর মানে এটা বৈধ। আবার ইমাম হুসাইন(রা:) সহ বড় বড় সাহাবীরা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ঐটাও মিয়ারে হক।এইটা সঠিক তাদের ই বলা সংজ্ঞানুসারে।(অনেকে তো আবার মুয়াবিয়াকে বাঁচাতে ইমাম হুসাইনকেই ভুল বলে।তখন আবার মিয়ারে হক ভুলে যায়)। তার মানে দাঁড়ায় ইয়াজিদের দল ও সঠিক ইমাম হুসাইন ও সঠিক!দুই নৌকায় পা দেয় আমাদের মোল্লা মুন্সি।দুটো বিপরীত চিন্তা একত্রে আবার কিভাবে সত্য হয়?সবাই একত্রে সত্য হতে পারে না। ইমাম হুসাইন (রা:) কে মানুষ সত্য না মানলেও উনি সত্যের পথে ছিলেন।মানলেও উনি সত্যের পথে ছিলেন।কখনো সত্য সংখ্যার উপরে নির্ভর করে না।কারবালাতে ইমাম হুসাইনের সাথে ৭২ জন ছিল।অপরদিকে...
 বিষয়:উহুদের যুদ্ধ। ধুলো আর রক্তে ভেসে যাচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। শুরুতে মুসলিমরা জয়ের পথে ছিল। মুসলিম বাহিনী শত্রুকে ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে। রাসুল ﷺ ধনুর্ধর সাহাবীদের বলেছিলেন: “এই গিরিপথ ছেড়ো না, যা-ই হোক পাহারা দেবে।” কিন্তু যুদ্ধের অন্তিম মুহূর্তে এসে কিছু সাহাবী ভেবেছিলেন—যুদ্ধ শেষ, মুসলমানরা বিজয়ী। এখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহ শুরু হবে। তাই তারা গিরিপথ ছেড়ে চলে গেলেন। এই গিরিপথ ছেড়েই বিপর্যয় ডেকে আনে। যখন ধনুর্ধর সাহাবীরা রাসুল ﷺ–এর কঠিন নির্দেশ ভেঙে পাহাড়ি গিরিপথ ছেড়ে দেন, ঠিক তখনই যুদ্ধের মোড় ঘুরে যায়। হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (তখনও ইসলাম গ্রহণ করেননি) ঘোড়সওয়ার বাহিনী নিয়ে পিছন দিক থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েন। (হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালিদ ছিলেন যুদ্ধে প্রচণ্ড পারদর্শী। উনি মুসলিম হওয়ার পর কোনো যুদ্ধে হারেননি।) মুসলিমরা তখন চারদিকে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। শুরু হয় বিভ্রান্তি, কানের ভেতর বাজতে থাকে শত্রুর কণ্ঠ— "মুহাম্মদ নিহত হয়েছেন!" এই ভুয়া সংবাদে অনেকে ভেঙে পড়ে, এই কথাতেই যেন সাহাবীদের পৃথিবী থেমে গেল। কারো হাতে তলোয়ার কাঁপছে, কারো চোখে হতাশা। মুসলিম সেনারা ছুটছে চারদিকে, চতুর্দিক থেকে দ্র...
Image
  সাইন্স ফিকশন:হোয়াট ইফ: অল্টারনেট রিয়ালিটি(পর্ব ২) লেখক:শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ। ১ম পর্বের লিংক(https://www.facebook.com/share/p/1DwmRicBYE/) গাদিরের আলোয় ভেজা সেই পবিত্র প্রান্তর, মানুষের উল্লাস, নবীজির কণ্ঠের দীপ্ত ঘোষণা — সবকিছু ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে এলো। ChronoSeeker-এর পর্দায় আলো-আঁধারের ঝলকানি। যন্ত্রটি সতর্ক করে দিল—এই টাইমলাইনে আমার সময় ফুরিয়ে আসছে। আমি বের করলাম এক বিশেষ রেকর্ডিং ডিভাইস — তৈরি অদৃশ্য শক্তির জটিল বিন্যাসে, যা সময়ের গভীরে শত শত বছরের ইতিহাস ধারণ করতে সক্ষম। যা মালহামার যুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে এই ডকুমেন্ট টি আমার ভবিষ্যতে প্রয়োজন পড়বে।আমি সেটি নির্দিষ্ট তরঙ্গবেগে ছড়িয়ে দিলাম, যেন ভবিষ্যতের কেউ এটি আবিষ্কার করতে পারে। এরপরে আমি চোখ বন্ধ করলাম। হৃদয়ের গভীরে দুঃখের সাথে জড়িয়ে রইলো সেই বিকল্প পৃথিবীর স্মৃতি। সেই পৃথিবী, যেখানে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল... কিন্তু এখন আমি ফিরছি আমার বাস্তবতায় — যেখানে সত্য হারিয়ে গেছে। হঠাৎ!টাইম মেশিন স্টার্ট হলো।ওয়ার্ম হোল খুলে গেল।আমি প্যারালাল ইউনিভার্স থেকে নিজের ইউনিভার্সের আপন টাইমলাইনে ফিরে আসছি।এক প্রচণ্ড টান আমাকে সময়ের করিডোরে ছুঁড়...
Image
  পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। সাইন্স ফিকশন: হোয়াট ইফ: অল্টারনেট রিয়ালিটি(পর্ব :১) লেখক:- শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ। [ এই সাইন্স ফিকশন প্যারালাল ইউনিভার্স এর আমার এক কপি কে নিয়ে আমি লিখেছি।সেখানে ইমাম মাহদির পূর্ব মালহামার যুদ্ধ(১) হচ্ছে।এই যুদ্ধে বিশ্বের সকল টেকনোলজি শেষ হয়ে যায়।এরপরে আমি কোন রহস্যজনক কারণে নানা অল্টারনেট রিয়ালিটিতে চলে যাই ও তথ্য সংগ্রহ করি।নবীর আহলে বাইত ই যে সর্বোত্তম ও যোগ্য তা দেখানো হবে।এরপরে এক অন্তিম মহাযুদ্ধে অংশ নেই।পরিশেষে একটা টুইস্ট আছে টাইম লুপের। এখানে তিনটা মূল টাইমলাইন চলবে:- ১) মালহামার যুদ্ধের টাইমলাইন। ২) ইমাম মাহদির পরবর্তি সময়। ৩) খেলাফতের সময়কাল(তবে অল্টারনেট রিয়ালিটি)  ] চতুর্দিকে যুদ্ধের রমরমা পরিবেশ।আমেরিকা,রাশিয়া,ব্রিটেন আরব দেশগুলো সবাই একে অপরের সাথে যুদ্ধ করছে।তারা একটি গোপন আর্টিফেক্ট এর সন্ধানে আছে যা খুবই দামী পদার্থ।এর দ্বারা পৃথিবীতে যে ক্ষতি হয়েছে পরিবেশের তার পুনরুদ্ধার সম্ভব।এটা এক ধরণের দাজ্জালি শক্তি যা দ্বারা পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।এই ক্ষমতা কার হাতে থাকবে এ নিয়ে দেশগুলোর মাঝে যুদ্ধ। ইহুদিরা ফিলিস্তিন...